

দিনাজপুর জেলার হাকিমপুরের হিলিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন করা হয়। উক্ত লগ্নে বর্ণাঢ্য র্যালি মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখ সমরে পুষ্পস্তবক অর্পন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। একাত্তরের ১১ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রচণ্ড যুদ্ধের পর ৭নং সেক্টরের আওতায় দিনাজপুরের হিলি হানাদার মুক্ত করা হয়েছিলো।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ ও গেরিলা যুদ্ধে হাকিমপুর উপজেলার বোয়ালদাড় গ্রামের গোলাম মোস্তফা, একরাম উদ্দিন, বানিয়াল গ্রামের মুজিব উদ্দিন শেখ, ইসমাইলপুর গ্রামের মনির উদ্দিন, মমতাজ উদ্দিন, বৈগ্রামের ইয়াদ আলী ও চেংগ্রামের ওয়াসিম উদ্দিনসহ মোট ৩৪৫ জন মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন।
হাকিমপুরের হিলির মুহাড়াপাড়া এলাকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর স্মরণে নির্মিত “সম্মুখ সমর” স্মৃতিস্তম্ভ আজও তাদের ত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বরন করিয়ে দেয়।
উক্ত সময়ে উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, সুধীজন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা গন হাকিমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হোসেন সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী অবহিত করেন যে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারাদেশের ন্যায় হিলিতেও মরহুম খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র এবং উৎসাহী যুবকদের নিয়ে গঠিত এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী ২৫ মার্চ ঢাকায় বর্বর হামলার পর পাক হানাদারদের প্রতিরোধে গাছ কেটে রাস্তা খনন করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে নেতাদের নির্দেশে থানা ও ইপিআর ক্যাম্প থেকে ৩০৩ রাইফেল স্বেচ্ছাসেবকদের প্রদান করা হয় ।
এ সময় তৃতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর নিজাম উদ্দিন ১৭টি গাড়ি বহরসহ অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফুলবাড়িতে অবস্থান নেন। ওই স্বেচ্ছাসেবক দলকে হিলি ইপিআর ক্যাম্পের সুবেদার শুকুর আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন ইপিআর সদস্যসহ বিহারী অধ্যুষিত পার্বতীপুরের হাবড়ায় খান সেনাদের প্রতিরোধে পাঠানো হয়। সেখানে সম্মুখযুদ্ধে গোলার আঘাতে ওই দলের ৯ জন যোদ্ধা শাহাদাত বরন করে শহীদের মর্যাদা লাভ করেন ।

হাকিমপুরের ছাতনী গ্রামে পাক হানাদারদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। মুহাড়াপাড়ায় তারা একাধিক বাংকার তৈরি করে। প্রায় ৬-৭ হাজার পাক সেনা ৪০টি ট্যাংক নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। ৬ ডিসেম্বর হাকিমপুরে ভারত-বাংলাদেশ মিত্রবাহিনীর সঙ্গে পাক সেনাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। প্রথমদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেও পরে সংগঠিত হয়ে ১০ ডিসেম্বর মুহাড়াপাড়া এলাকাসহ পাক সেনাদের বিভিন্ন ঘাঁটিতে আকাশ ও স্থল উভয় দিক থেকে একযোগে হামলা চালায়। দুইদিনের তীব্র যুদ্ধের পর পাক বাহিনী পরাস্ত হলে ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১টার দিকে হিলি-হাকিমপুর হানাদার বাহিনী মুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিজয়ের সূর্য উদীয়মান হয় ।।











DHN television ◆ DHN Creative studio.
Managing director :-
Jahangir khan
Contact us +8801919433231
https://www.facebook.com/khan.bd.967
Gmail :- Khanbd575@gmail.com
https://www.facebook.com/DHN-Channel-100207438394451 https://www.instagram.com/khan.bd.967?igsh=YnMwY2YwbnBlbWZ1 https://www.tiktok.com/@dhnchannel24?_t=8pAKSfcMXre&_r=1https://www.facebook.com/profile.php?id=100077407860881&mibextid=ZbWKwL
https://www.facebook.com/khan.bd.967?mibextid=ZbWKwL
https://www.youtube.com/@dhnchannel5561 https://dhnchannel24news.wordpress.com

Leave a comment